মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব। তবে জন্মমাত্রই প্রতিটি মানুষ এ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হয় না। বস্তুত জ্ঞানের আলো, বিজ্ঞানের সত্যানুসন্ধান, মূল্যবোধের পরিচর্যা এবং সর্বোপরি সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ মানুষকে এ শ্রেষ্ঠত্ব দান করে থাকে। আর এ সব মহত্ত্ব অর্জনের জন্য প্রয়োজন সুশিক্ষার। সুশিক্ষার জন্য প্রয়োজন আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম সুযোগ্য নাগরিক সৃষ্টির ক্ষেত্রে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু সীমাহীন দারিদ্র্য, মূল্যবোধের অবক্ষয় আমাদের চোখ থেকে আশার দীপ্তি কেড়ে নিয়েছে, মন হতে কেড়ে নিয়েছে স্বস্তির আশ্বাস। এ অবস্থা হতে উত্তরণের একটাই উপায়- মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং নৈতিক চেতনার স্ফূরণ ঘটানো । এক্ষেত্রে আমাদের প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে। পুথিগত বিদ্যার সাথে সাথে ব্যবহারিক
শিক্ষা, সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম, নৈতিক শিক্ষা ও মননশীলতার চর্চাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এসব প্রত্যয় নিয়ে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ একদল উচ্চ শিক্ষিত ও উদ্যমী শিক্ষকমণ্ডলী, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং সুদক্ষ অধ্যক্ষ মনোরম পরিবেশে এলাকার প্রয়োজন পূরণে ভূমিকা রাখছে। ইতোমধ্যে এলাকার অভিভাবকদের মনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ। অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যত আশ্রয়স্থল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ। ইতোপূর্বে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলিতে উল্লেখযোগ্য জিপিএ-৫ ও ১০০% পাসসহ টপটেনের ৬ষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করতে এই কলেজ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ইন্শাল্লাহ। তাই সচেতন ছাত্র, অভিভাবক ও সুধীজনের সার্বিক সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা পেলে কোয়ালিটি এডুকেশন কলেজ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে। মহান আল্লাহ্র কাছে এই কলেজের উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করছি।